তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু

তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প এলাকায় চলতি রবি ও খরিপ-১ মৌসুমে সেচ কার্যক্রম শুরু  হয়েছে। 

বুধবার হাজিরহাট এলাকায় এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

বোরো সেচের জন্য পানি কৃষকের সরবরাহের উদ্ধোধন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রষাদ ঘোষ। 
তিনি বলেন, তিস্তা নদীর আগের রূপে ফিরিয়ে আনার জন্য নদী খননের কাজ চলছে। নদীতে শুস্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি ছিল না। আমরা বিগত সময়ের মতো এবারো কৃষকদের চাহিদা মতো সেচ দিতে পারবো। তিস্তার পানি চুক্তি না হলেও শুস্ক মৌসুমে নদীতে পানির প্রবাহ থাকবে ৫ থেকে ৬ হাজার কিউসেক। এই প্রবাহ অব্যাহত থাকলে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমি সেচ পাবে। 

তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম দোদুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুস সহীদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুরের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম, ঠাকুরগাঁও সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান। 

উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয় তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ রয়েছে। সাড়ে ৭ হাজার সেচ খালের বিপরিতে ৫ হাজার কিউসেক পানি মজুদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। সেচ ক্যানেলের পানি খরচ হলে পুনরায় নদী হতে পানি সেচ খালে দেয়া হবে।

তিস্তা ব্যারাজের কৃষি কর্মকর্তা রাফিউল বারী জানান, চলতি বছরে তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার ডালিয়া-জলঢাকা-নীলফামারী সদর-কিশোরীগঞ্জ-রংপুরের তারাগঞ্জ-পাগলাপীর-গঙ্গাচড়া ও দিনাজপুরের খানসামা চিরিরবন্দর উপজেলায় খরিপ-১ মৌসুমী ৩৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

গত বছরে খরিপ-১ মৌসুমে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টরে। তবে ওই বছরে সেচ প্রদান করা হয় ৪০ হাজার ৫০০ হেক্টরে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার হেক্টর বেশি ছিল। বর্তমানে তিস্তা নদীতে পানি পাওয়া যাচ্ছে এতে করে আমরা এবার ৫০ হাজার হেক্টরে সেচ পপ্রান করতে পারবো। 

 241 total views,  1 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top