সাংবাদিককে মারধর করা সেই এএসআই প্রত্যাহার

ঢাকা মহানগর পুলিশের শাহাবাগ থানার এএসআই মামুন হোসেনকে অবশেষে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিককে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে। নিজেকে ক্ষমতাধর পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া এএসআই মামুনের বিরুদ্ধে এ ছাড়াও রয়েছে নানা অভিযোগ।  ঘটনার তদন্তে রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমানকে নির্দেশ দিয়েছেন, ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিক শেখ জাহাঙ্গীর আলম (৩০)। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২০ জানুয়ারি (সোমবার) সন্ধ্যায় মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার থেকে মোটরসাইকেল যোগে পান্থপথে কর্মস্থল বাংলা ট্রিবিউন অফিসে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ-এর স্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) সাজ্জাদ মাহমুদ খান ওরফে সাজ্জাদ হোসেন। তারা পরীবাগ লিংক রোড পার হওয়ার সময় যানজটে আটকা পড়েন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসা শাহবাগ থানার এএসআই মামুন হোসেন তার (সাংবাদিক জাহাঙ্গীর) ডান পায়ে চাপা দেন। জাহাঙ্গীর ও সাজ্জাদ এর প্রতিবাদ করলে এএসআই মামুন ইচ্ছাকৃত আরও দুই-তিনবার মোটরসাইকেলের পিকআপ বাড়িয়ে তার পায়ে আঘাত এবং গালাগাল করতে থাকেন। অপেশাদার এ আচরণের প্রতিবাদ করলে তাদের হত্যার হুমকি দেন এএসআই মামুন। তবে পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজের নাম জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

এ সময় পথচারী এবং আশপাশের দোকানদাররা জড়ো হলে সাংবাদিক জাহাঙ্গীরকে ফের লাথি মেরে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন মামুন। পরে থানায় খোঁজ নিয়ে তার নাম ও পরিচয় জানা যায়।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্ত এএসআই মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও সাজ্জাদ মাহমুদ খান বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচারের জন্য কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি।

 158 total views,  2 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top