সংবাদ শিরোনাম:
«» দক্ষিণ আফ্রিকায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয়েছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা «» আফ্রিকা থেকে কেউ দেশে এলে বোর্ডিং পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী «» আগামী বহু বছর ধরে প্রতি বছর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হবে: ফাইজার প্রধান «» নারী কনস্টেবলের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা ইন্সপেক্টর «» ১৬ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী «» দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন আব্বাস «» সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায়: ফখরুল «» দীর্ঘদিন পর সুপ্রিম কোর্টের শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু «» মারধর-ধর্ষণচেষ্টা মামলায় পরীমণির নারাজি «» ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির আভাস

না পেরে পাকিস্তানিকে ‘মানকাড’ করল আফগানরা

উঠতি ক্রিকেটারদের কথা ভাবলে দৃশ্যটি ভালো লাগার মতো না। অন্তত ‘স্পোর্টসম্যানশিপ’ বা খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা থেকে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কাল পাকিস্তানের মোহাম্মদ হুরাইরাকে ‘মানকাড’ আউট করেছেন আফগানিস্তানের ‘চায়নাম্যান’ নুর আহমদ।

বেনোনিতে আগে ব্যাট করে ১৮৯ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের যুবাদের মুঠোয় ম্যাচ এনে দেন ওপেনার হুরাইরা। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলে অভিষেক ম্যাচেই ফিফটি তুলে নেওয়া হুরাইরা ব্যাট করছিলেন ৭৬ বলে ৬৪ রানে। জয়ের জন্য ১৩৪ বলে পাকিস্তানের দরকার ৬৩ রান, হাতে ৭ উইকেট। ম্যাচের এ পরিস্থিতিতে (২৭.৪ ওভার) অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ‘মানকাড’ আউটের স্মৃতি ফিরিয়ে আনেন বাঁহাতি কবজির স্পিনার নুর।

নুর বল করতে লাফ দেবেন এমন সময়ে অবচেতনভাবেই দাগের বাইরে চলে গিয়েছিলেন হুরাইরা। বোলাররা বল করার সময় নন-স্ট্রাইক প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা রান নেওয়ার প্রস্তুতিতে যেভাবে এগোন আরকি। ১৫ বছর বয়সী নুর তা খেয়াল করেই কোনোরকম দ্বিধা ছাড়াই ভেঙে দেন স্টাম্প। রান আউট হুরাইরা। ক্রিকেট খেলার চেতনাবিরোধী এ আউটে ঝড় উঠেছে টুইটারে। পাকিস্তানের সংবাদকর্মী সাজ সাদিক এ নিয়ে টুইট করেন, ‘১৭ বছর বয়সী হুরাইরাকে আউট করতে মানকাড ছাড়া আর কোনো পথ পায়নি আফগানিস্তান।’

পাকিস্তানের অবশ্য জিততে কোনো অসুবিধা হয়নি। ৫৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয়ে সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়া নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের যুবারা। মঙ্গলবার পচেফস্ট্রুমে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হবে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে। পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শোয়েব মালিকের ভাতিজা হুরাইরা এ আউটে আফগান ক্রিকেটারদের দোষারোপ করেননি। বরং ভুল থেকে শিক্ষাই নিচ্ছেন এ ব্যাটসম্যান, ‘তেতো অভিজ্ঞতা হলেও আমি এখান থেকে শিখব। ক্রিজের ভেতর থাকা উচিত ছিল। ভবিষ্যতে যেন এমন কিছু না ঘটে তা নিশ্চিত করব।’

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ‘মানকাড’ আউট এই প্রথম না। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচেও এমন বিতর্কিত আউট দেখা গেছে। জিম্বাবুয়ে দলের রিচার্ড এনগাভারাকে মানকাড আউট করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিমো পল। তবে হুরাইরার আউট নিয়ে আলোচনা সহসাই থামছে না।

ক্রিকেট পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করেন এবং পাকিস্তানের সংবাদকর্মী মাজহার আরশাদ ভাবার মতো এক টুইট করেছেন মানকাড আউট নিয়ে, ‘স্টাম্পিং করার আগে কিপার কি ব্যাটসম্যানকে সতর্ক করে? না। তাহলে বোলার কেন রান আউট করার আগে ব্যাটসম্যানকে সতর্ক করবে? মানকাডিং আউট খেলার আইনের মধ্যেই রয়েছে। ক্রিকেটের চেতনাবিরোধী নিয়ে যে কথা উঠছে তাহলে ব্যাটসম্যানও তো ক্রিজ ছেড়ে গিয়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’

 263 total views,  2 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top