সংবাদ শিরোনাম:
«» অবশেষে হিরো আলমের আইডি উদ্ধার করে দিলো সিআইডি «» মন ফ্রেশ করতে সাজেক ভ্যালি ঘুরে আসুন মাত্র ৩০০০ টাকায় «» বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোঃ আলী আড্ডু «» ২৫ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা «» তামিমের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে বনিশালের ৫ উইকেটে জয় «» সরকার বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না আলু পেঁয়াজ «» ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ উন্নতি বাংলাদেশ ফুটবল দলের «» সারাদেশে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী: গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি «» প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য আসছে ৬৫০ সিসির মটরসাইকেল «» প্রধানমন্ত্রী যারা আপনার ঘাড়ের ওপর বসে আছে, তারাই আপনার ক্ষতি করবে: বাবুনগরী

স্কুল, কলেজ পড়ুয়া কিছু অদম্য তরুনের বিজয়ের গল্প!

বগুড়া প্রতিনিধিঃ

করোনা মহামারীর সময়ে সারাবিশ্ব যখন খাদ্য, চিকিৎসা এবং কর্মের জন্য হাহাকার করছে, ঠিক তখন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকার একদল অদম্য, সাহসী এবং পরিশ্রমী কিছু তরুণ এক সাহসী পদক্ষেপ গ্রহন করেন এবং বিজয় লাভ করেন। এ বিজয় অনুপ্রেরণার বিজয় পথ দেখানোর বিজয় করোনা মহামারী পরিস্থিতি কর্মহীনতার বিজয়।

যা সকল তরুনের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগাবে। সকল প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে তাদের সফলতার গল্প তুলে ধরবো। করোনা মহামারী বাংলাদেশে শুরু হলে সারাদেশ সাধারণ ছুটির আওতায় চলে আসে। ফলে দেখা দেয় অর্থনৈতিক সংকট। মহামারীর ঢেউয়ে অনেক বেসরকারি চাকরীজিবি চাকুরীহারা হয়ে পরেন।

এমতাবস্থায় বগুড়া জেলায় শাজাহানপুর উপজেলার প্রান্তীক এলাকা যেখানে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান এখনো বিকাশ লাভ করেনি সেখানে কিছু তরুণ নিজস্ব উদ্যোগে কৃষি কাজের মাধ্যমে নিজেদের আর্থিক সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অত্র এলাকায় দরিদ্র মানুষেদের বিনামূল্যে সবজি দিয়ে সাহায্য সহোযোগিতার নজীর স্থাপন করেছেন।

এরকম এক চাকুরীহারা যুবক রাসেল আহমেদ ঢাকা থেকে গ্রামে চলে আসেন। গ্রামে ফিরে যখন অর্থাভাবে দিশেহারা ঠিক তখন তিনি তার নিজের পরিকল্পনায় নিজস্ব কিছু পতিত কৃষি জমিতে ফসল ফলানোর চিন্তা করেন। তার পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাড়ায় অর্থনৈতিক সংকট, গ্রামবাসীর কটুবাক্য এবং শ্রম ও অভিজ্ঞতার অভাব। কেননা সে নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান হলেও কখনো কৃষি কাজ করেনি।

চাষ করা পেপে, বেগুন, কচু এবং ঝিঙা

নিজ উদ্যোগে সামান্য কিছু জমিতে চাল কুমড়া, ঝিঙা, করলা, বরবটি,ও অন্যান্য শাক-সবজী চাষ শুরু করেন। নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমে কারো সাহায্য সহোযোগিতা ছাড়াই তিনি একটি সবজি বাগান তৈরী করেন। তার দেখাদেখি এলাকার কিছু তরুন তার প্রতাক্ষ্য সাহায্য, সহোযোগিতা এবং পরামর্শে কিছুজমি বর্গা নিয়ে চাষ শুরু করে।

তরুণদের কারো বয়স বিশেরকোটা পূরণ করেনি। কেউ এস এস সি, কেউ সবে এইস এসসি পরীক্ষার্থি কেউবা, কলেজের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী। করোনা মহামারীতে যখন সারাদেশে সাধারণ ছুটির আওতায় তখন সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মন্দার পাশাপাশি কর্মহীনদের সংখ্যা বারতে থাকে বহুগুণে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রান্তিক কৃষক পরিবারের।

তরুণদের সকলেই স্কুল কলেজ পড়ুয়া। তারা কখনো কৃষি কাজ করেনি বা তাদের এসব কাজের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতাও ছিলো না। নিজেদের সর্বোচ্চ পরিশ্রম মেধাশক্তি এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে ফসল উৎপাদনে সাফল্য লাভ করেছেন।

জানা যায় তরুনদের সকলেই দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান তাদের নিজস্ব কোন কৃষি জমি নেই। এমনকি তাদের কোনো পুঁজিও ছিলোনা, তাতে কি অদম্য ইচ্ছে শক্তি এবং কঠোর পরিশ্রম দ্বারা তারা এসব অসম্ভব কে সম্ভব করে সকল তরুণদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।

প্রথমে তারা কিছু জমি বর্গা নেওয়ার মাধ্যমে চাষ শুরু করে। অর্থের সমস্যার কারনে তারা অল্প কিছু জমিতে চালকুমড়া, লাউ, ঝিঙা, পেপের চাষ শুরু করেন। কিন্ত অর্থাভাবে বেশিদূর এগোতে পারছিলো না। ঠিক সেসময়ে অত্র এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী এক (সাফিকুল ইসলাম) নামে বড়ভাইয়ের প্রতাক্ষ্য এবং পরোক্ষ সহোযোগিতায় তারা তাদের কৃষি কাজের বিস্তার ঘটায়। এবং আরো বেশি পরিমান জমি বর্গা নেয়ার মাধ্যমে তাদের চাষের আওতা বাড়ান।

পুকুর পাড়ে ‍সবজি চাষ

সবজি চাষের পাশাপাশি মরিচ, পেপে, এবং সজিনার মতো ফসলের চাষ শুরু করেন। মরিচের এবং পেপের বেশ ভালো ফলন হয়। ফলনের পাশাপাশি ভালো একটা আর্থিক লাভ হয়। ফলে নিজেদের পরিবারের আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি তারা অত্র এলাকার দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরন এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করেন।

ব্যবসায়ী সাফিকুলের সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি নিজে কিছু জমি দিয়ে এবং নগদ অর্থদিয়ে সহোযোগিতা করেন। কিন্ত এ সহোযোগিতা যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন আমিনুর ইসলাম নামে তরুনদের একজন। তিনি বলেন, সরকারী ভাবে সাহায্য পেলে আরো বড়ো পরিসরে চাষ করার মাধ্যমে করোনা কালীন অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর পাশাপাশি দরিদ্রদের আরো বেশি, বেশি সাহায্য সহোযোগিতা করতে পারতাম।

পেপে এবং মরিচের ক্ষেত

যেসব অদম্য তরুণদের উদ্যোগ তারা হলেনঃ ১। আমিনুর ইসলাম। ২। অমেদ হাসান। ৩। সৈকত হোসেন। ৪। মোঃ নাহিদ । ৫। জাহেদ হাসান।

তাদেরকে সার্বিক সহোযোগিতায় – ★রাসেল আহমেদ ★সাহাদাত হোসাইন ★সহিদুল ইসলাম ★ব্যাবসায়ী সাফিকুল ইসলাম

এসব তরুণ করোনা মহামারীতে সাধারণ ছুটিতে অলস বসে থেকে পরিবারের বোঝা না হয়ে, বরং পরিবারের এবং নিজেদের অভাব দূর করার পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র মানুষের পাশে দারিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত্য স্থাপন করেছেন। এছাড়াও মাদকমুক্ত থেকে এবং অন্যান্য তরুনদের মাদকমুক্ত রাখার পাশাপাশি মাদকমুক্ত দেশ গড়ায় সহোযোগিতা করছে।

আরাফাত হোসেন,

সহোযোগিতায়: রাসেল আহমেদ

Your Trusted Shopping Zone
📢অফার📢অফার📢অফার📢
🌙ঈদ কালেকশন🌙
ঈদ উপলক্ষে থাকছে 😱 ২০%😱 মূল্য ছাড়
বিঃদ্রঃ দুটি কিনলে অথবা লাইভ শেয়ার করলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রী 💞
অর্ডার করতে ভিজিট করুন এই লিংকেhttps://www.facebook.com/107581027691409/posts/119937659789079/

 992 total views,  1 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top