সংবাদ শিরোনাম:
«» মঙ্গলবার থেকে দেশে আবারও গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» রাজাকার পুত্র অভিযোগে যুবলীগের পদ থেকে অব্যাহতি «» গণতন্ত্রের প্রতি অগাধ বিশ্বাসই প্রধানমন্ত্রীর চালিকাশক্তি: স্পিকার «» ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, আদেশ স্থগিত «» ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিমানবন্দরে পুরোদমে করোনা পরীক্ষা শুরু «» প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণ শেষ পর্যায়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী «» সৌদিতে ক্রেন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু «» ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় ট্রেনের ছাদে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা «» পর্যটকদের ভিসা সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী «» ই-কমার্স গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় ই-অরেঞ্জের ৩৩ ভুক্তভোগীর রিট

আরও পাঁচ বছর বাড়ছে বিদ্যুৎ-জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের মেয়াদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ছে। ক্রয়বিধি মেনে আরও পাঁচ বছর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কেনাকাটার জন্য দরপত্র আহ্বান করতে হবে না। এজন্য ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন, ২০২১’ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য ২০১০ সালে একটা আইন করা হয়েছিল। সেটা দুই বছরের জন্য বৃদ্ধি করা হয়, দুই বছর অন্তর অন্তর। জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় আইনটি কার্যকর, আইনের মেয়াদ এরইমধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

সেজন্য আইনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের এবং ২০৪০ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমাদের যে পরিকল্পনা আছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে সেটা যাতে আমরা নির্বিঘ্নে সরবরাহ করতে পারি। এজন্য ২০২৬ সাল পর্যন্ত এটার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আইনের মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হয়ে যাওযার কথা। এখন আগের আইনটারই কেবল সময় বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। তারা (বিদ্যুৎ বিভাগ) বলেছে আইনটি খুবই কার্যকর তাই আমাদের আরও পাঁচ বছর দরকার। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা ছিল স্পেশাল প্রভিশন আইন। ২০১০ সালে বিভিন্ন স্পেশাল প্রভিশন প্রয়োজন হলো। জেনারেল যে ক্রয় প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এটার বাইরে কিছু এক্সট্রা লাগবে। সেটার জন্য এই আইন করা হয়। এখন দেখা যায় এটা কার্যকর, ভালই চলছে। এজন্য মন্ত্রণালয় আরও পাঁচ বছর সময় বাড়িয়ে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগেও উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, আজকে যে পরিসংখ্যান দেখলাম তাতে শিল্প-কারখানায় চাহিদা আরও বাড়ছে। পদ্মা সেতু আগামী বছর শেষ হলে ওই পাড়ে যে পরিমাণ বিনিয়োগ শুরু হবে, তাকে ম্যাসিভ এনার্জির প্রয়োজন হবে। সেজন্য ওনারা দেখেছেনও ওইসব ক্ষেত্রে স্পেশাল প্রভিশনগুলো প্রয়োজন। সেজন্যই ওনারা নিয়ে এসেছেন।

 23 total views,  1 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top