সংবাদ শিরোনাম:
«» দক্ষিণ আফ্রিকায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয়েছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা «» আফ্রিকা থেকে কেউ দেশে এলে বোর্ডিং পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী «» আগামী বহু বছর ধরে প্রতি বছর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হবে: ফাইজার প্রধান «» নারী কনস্টেবলের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা ইন্সপেক্টর «» ১৬ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী «» দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন আব্বাস «» সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায়: ফখরুল «» দীর্ঘদিন পর সুপ্রিম কোর্টের শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু «» মারধর-ধর্ষণচেষ্টা মামলায় পরীমণির নারাজি «» ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির আভাস

দুই সিটিতেই এগিয়ে নৌকা

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে বিকেল চারটায়। এরইমধ্যে ফলাফল আসতে শুরু করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই সিটিতেই মেয়র পদে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী।

এখন পর্যন্ত ঢাকা উত্তরের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪১৯৪ ভোট, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ১২৪৭৭ ভোট।

ঢাকা দক্ষিণে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস পেয়েছেন ১৭০৩৮ ভোট, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন পেয়েছেন ১১৭৭৬ ভোট।

প্রসঙ্গত, এবারের সিটি নির্বাচনে ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন। কাউন্সিলর পদে ২৫১ জন এবং সংরক্ষিত আসনে ৭৭ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উত্তর সিটিতে ওয়ার্ড রয়েছে ৫৪টি। ঢাকা দক্ষিণে ৭ জন মেয়র পদের জন্য লড়ছেন। কাউন্সিলর পদে ৩৩৫ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী প্রার্থী হয়েছেন ৮২ জন। দক্ষিণে ৭৫টি ওয়ার্ড। ঢাকায় ভোটারসংখ্যা ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন। ঢাকা উত্তর সিটির ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৩১৮। এসব কেন্দ্রে ভোট কক্ষের সংখ্যা ৭ হাজার ৮৪৬টি। দক্ষিণ সিটিতে ১ হাজার ১৫০টি ভোটকেন্দ্র এবং ভোট কক্ষ রয়েছে ৬ হাজার ৫৮৮টি।

এবার ঢাকা উত্তরে ৮২৬ আর দক্ষিণে ৭২১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও নজরদারি।

ইভিএমে ভোট হওয়ায় ভেটের ফলাফল ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪ ঘণ্টার মধ্যে জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশ্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে ফল ঘোষণার জন্য এক ঘণ্টাই যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।

ভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। যানবাহন চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি রাত ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ৩১ জানুয়ারি (শুক্রবার) মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে। তবে কিছু যানবাহন চলতে পারবে অনুমতি সাপেক্ষে। জরুরি বাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।

 255 total views,  1 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top