সংবাদ শিরোনাম:
«» দক্ষিণ আফ্রিকায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয়েছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা «» আফ্রিকা থেকে কেউ দেশে এলে বোর্ডিং পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী «» আগামী বহু বছর ধরে প্রতি বছর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হবে: ফাইজার প্রধান «» নারী কনস্টেবলের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা ইন্সপেক্টর «» ১৬ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী «» দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন আব্বাস «» সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায়: ফখরুল «» দীর্ঘদিন পর সুপ্রিম কোর্টের শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু «» মারধর-ধর্ষণচেষ্টা মামলায় পরীমণির নারাজি «» ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির আভাস

ডাকসু নেতারা ৯ মাসে খরচ করেছেন সাড়ে ৮৩ লাখ টাকা

গত বছরের মার্চে নির্বাচনের পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উদ্যোগের খরচ হিসেবে তহবিল থেকে ৮৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৪ টাকা উত্তোলন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া ডাকসু কার্যালয় ব্যবস্থাপনা খাতে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

গতকাল শনিবার ডাকসুর চতুর্থ কার্যনির্বাহী সভা উপলক্ষে সংগঠনের প্রশাসনিক শাখা থেকে প্রকাশিত হিসাবপত্র সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ডাকসুর বর্তমান কমিটির জন্য গত বছর পাস হওয়া বাজেটের আকার ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক শাকিল আহমেদ তহবিল থেকে ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা, সাহিত্য সম্পাদক মাজহারুল কবির ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৮৩৪ টাকা, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাহরিমা তানজিন ৬ লাখ ৭১ হাজার ৯০০ টাকা, স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী ৭ লাখ ৮২ হাজার ১২০ টাকা, সংস্কৃতি সম্পাদক আসিফ তালুকদার ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আরিফ ইবনে আলী ৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা, সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ছাত্র পরিবহন সম্পাদক শামস-ঈ-নোমান ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা উত্তোলন করেছেন।

ডাকসুর সদস্যদের মধ্যে তহবিল থেকে তানভীর হাসান ৯০ হাজার টাকা, রাকিবুল হাসান ৬১ হাজার ৭০০ টাকা, রাইসা নাসের ৭৪ হাজার ৫০ টাকা, রকিবুল ইসলাম ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, মুহা. মাহমুদুল হাসান ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা, রফিকুল ইসলাম ৩০ হাজার টাকা, ফরিদা পারভীন ৬১ হাজার ৫০০ টাকা, সাইফুল ইসলাম ১ লাখ টাকা এবং যোশীয় সাংমা তহবিল থেকে ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। সদস্যদের জন্য আলাদা কোনো বাজেট ছিল না। এই টাকা তাঁরা তুলেছেন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর তহবিল থেকে।

এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্পনসর থেকে ডাকসু নেতারা ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫০৪ টাকা পেয়েছেন বলে প্রকাশিত হিসাবপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে৷

গত বছরের ৩০ মে পাস হওয়া ডাকসুর বাজেটে আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে সহসভাপতিকে (ভিপি) বরাদ্দ করা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। জিএসকে তিন খাতে মোট ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিষেক অনুষ্ঠানের খরচ হিসেবে ৩০ লাখ, সাধারণ অনুষ্ঠানের খরচ হিসেবে ১৭ লাখ ও আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে তাঁকে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা।

এ ছাড়া স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদককে ১০ লাখ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদককে ১৫ লাখ, কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদককে ১০ লাখ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদককে ১৫ লাখ, সাহিত্য সম্পাদককে ১৫ লাখ, সংস্কৃতি সম্পাদককে ১৫ লাখ, সমাজসেবা সম্পাদককে ১৩ লাখ, ক্রীড়া সম্পাদককে ২০ লাখ এবং ছাত্র পরিবহন সম্পাদককে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। এর বাইরে ডাকসু কার্যালয় ব্যবস্থাপনা খাতে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।

ডাকসুর বাজেটটি ভিপি, জিএসসহ ৯ জন সম্পাদকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ডাকসুর এজিএস ও ১৩ জন সদস্যকে কোনো বাজেট দেওয়া হয়নি। জিএসের সহায়ক হিসেবে এজিএসের আর ৯ জন সম্পাদকের সঙ্গে ১৩ জন সদস্যের কাজ করার কথা ছিল।

 341 total views,  1 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top