সংবাদ শিরোনাম:
«» মঙ্গলবার থেকে দেশে আবারও গণটিকা কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» রাজাকার পুত্র অভিযোগে যুবলীগের পদ থেকে অব্যাহতি «» গণতন্ত্রের প্রতি অগাধ বিশ্বাসই প্রধানমন্ত্রীর চালিকাশক্তি: স্পিকার «» ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, আদেশ স্থগিত «» ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিমানবন্দরে পুরোদমে করোনা পরীক্ষা শুরু «» প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণ শেষ পর্যায়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী «» সৌদিতে ক্রেন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশির মৃত্যু «» ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় ট্রেনের ছাদে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা «» পর্যটকদের ভিসা সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী «» ই-কমার্স গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় ই-অরেঞ্জের ৩৩ ভুক্তভোগীর রিট

এ ভূ-খন্ডের মাটিকে রক্ষা করেছিলো ছাত্রলীগ: কিন্তু দায় অস্বীকার কেন?

আরাফাত হোসেন ইয়াসিনঃ
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটা সংগঠনের নাম নয়। এটা হৃদয়ের একটা টুকরার জায়গা। এই বাঙ্গালী জাতির উত্থানের সকল ইতিহাসের সাথে জড়িত এই নাম। ছাত্রলীগ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে শিক্ষার অধিকার, বাঙ্গালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলন বিশেষ ভূমিকা রাখে। যা বিশ্বের কোন দেশে কোন ছাত্র-সংগঠনের এমন নজির নেই।

৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন মুসলিম হল (বর্তমান কার্জন হল) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম মাতৃভাষা বাংলার জন্য সংগ্রাম শুরু করে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি দিয়েছিলেন। যা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।
১৯৬৯ সালে ঐতিহাসিক গনঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালে বাংলার ছাত্রসমাজ সারাদেশে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলে, যা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বাংলার ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেন, যা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করে।১৯৭০ সালের নির্বাচনেও তৎকালীন ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৭০ এর পর ১৯৭১ সালে দেশে স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাক আসে। স্বাধীনতার সংগ্রামে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্রলীগের হাজার হাজর নেতা-কর্মী। সেখানে ছাত্রলীগের অনেক কর্মী বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়।

সম্প্রতি সারা বিশ্বের অবস্থা যখন করোনার থাবায় নাজুক। বাবা-মা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় সন্তান বাবা-মা কে রেখে পালিয়ে চলে যায়। আবার অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় এলাকাবাসী করোনার ভয়ে লাশকে অস্বীকার করে তাদের এলাকায় দাফন করতে না দেওয়া ছিলো মানব জাতির জন্য বেদনাদায়ক ঘটনা। কিন্তু সেখানেও ছাত্রলীগ এগিয়ে গিয়ে লাশ দাফন করেছিলেন। করোনার কারণে লক ডাউনে কর্মহারা মানুষগুলোর দূয়ারে দূয়ারে গিয়ে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কথাও হয়তো আমাদের চোখে ভাসে?

তারপরও শতাব্দীর পর শতাব্দী, যুগের পর যুগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আপনার বসবাসের ভূ-খন্ডের মাটিকে রক্ষা করার জন্য নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়। শিক্ষা,শান্তি প্রগতি’র পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রয়োজনে মানুষের সেবায় নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে জীবন দিতে ভয় পায়নি। আগামীতেও মানুষের সেবায় নিজেকে বলি দিতে দ্বিধাবোধ করবেনা।

 678 total views,  2 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top