সংবাদ শিরোনাম:
«» দক্ষিণ আফ্রিকায় ২৪ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয়েছে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা «» আফ্রিকা থেকে কেউ দেশে এলে বোর্ডিং পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী «» আগামী বহু বছর ধরে প্রতি বছর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হবে: ফাইজার প্রধান «» নারী কনস্টেবলের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা ইন্সপেক্টর «» ১৬ ডিসেম্বর দেশের মানুষকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী «» দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন আব্বাস «» সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায়: ফখরুল «» দীর্ঘদিন পর সুপ্রিম কোর্টের শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু «» মারধর-ধর্ষণচেষ্টা মামলায় পরীমণির নারাজি «» ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির আভাস

সম্পত্তি না দেওয়ায় বাবার ৪ আঙুল কেটে দিলো ছেলে

অনলাইন ডেস্ক: মাগুরা সদর উপজেলায় সম্পত্তি না দেওয়ায় ছুড়ি দিয়ে বাবা শহীদুল হকের (৭০) চার আঙুল কেটে দিয়েছে ছেলে হানিফ মিয়া (৪৫)।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ওই উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নে উথলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শহীদুল হকে ওই গ্রামেই বড় ছেলে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে থাকেন।

জানা যায়, শহীদুলের ছোট ছেলে হানিফ বিয়ের পর পরিবার থেকে আলাদা হয়ে বসবাস শুরু করে। সংসার আলাদা হওয়ার পর সম্পত্তি নিয়ে প্রায়ই বাবার সঙ্গে কথাকাটাকাটি করতেন হানিফ। এছাড়া তার নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন।

কিন্তু ছেলে ব্যবহার ভালো না থাকায় সম্পত্তি দিতে অসম্মতি জানায় বাবা। এরপরেই ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো ছুড়ি দিয়ে বাবাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে হানিফ।

এসময় শহিদুলের হাতের ৪ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ছেলে হানিফ পলাতক রয়েছেন।

শহিদুল হকের বড় ছেলে গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন বাবা। এ সময় হঠাৎ আমার ছোট ভাই হানিফ গরু জবাই করা ছুড়ি নিয়ে বাবাকে কোপাতে থাকে।

এতে বাবার হাতের চার আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় দোকানের থাকা অন্যান্য লোকজন চিৎকার দিলে হানিফ পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বলেন, শফিউর রহমান বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তালুসহ আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাছাড়া মাথা থেকে ঘাড় বরাবর ধারালো ছুটির আঘাত রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর আলম বলেন, গুরুতর জখম শহীদুল হকের চিকিৎসা চলছে। ছেলে হানিফ মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে।

 44 total views,  2 views today

প্রকাশিত সংবাদ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি,পাঠকের মতামত বিভাগে প্রচারিত মতামত একান্তই পাঠকের, তার জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়।
Top